আপনি কি
বিবাহিত নারী ?
বিবাহিত পুরুষ ?
নববিবাহিত ?
গর্ভবতী মহিলা ?
কিশোরী ?
কিশোর ?
আপনি কি জানতে চান
প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসা
প্রশ্ন ও উত্তর
আজকের প্রশ্ন ও উত্তর
বন্ধ্যাত্ব
অনেক সময় দেখা যায়, বিয়ের পর অনেকের বাচ্চা হয় না। অথচ তারা কোনো পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহার করছে না এবং বাচ্চা নিতে চাইছে। কোনো সমস্যা না থাকলেও কখনো কখনো বাচ্চা হতে দেরি হতে পারে। স্বামী বা স্ত্রী দুজনের কারও কোনো শারীরিক সমস্যার কারণে যদি বাচ্চা না হয়, তবে তাকে বন্ধ্যাত্ব বলে।
বন্ধ্যাত্বের সম্ভাব্য কারণ
স্বামী বা স্ত্রীর যেকোনো একজনের প্রজননতন্ত্রের কোনো সমস্যা
যৌনরোগ সময়মতো এবং সঠিক নিয়মে চিকিৎসা না করা
এ ছাড়া মদ, গাঁজা খেলে বা মাদকাসক্ত হলেও যৌনক্ষমতা কমে যায়।
এই কারণগুলোর মধ্যে অনেকগুলো প্রতিরোধ করা যায় ও চিকিৎসা করে সন্তান লাভ করা যায়। তবে চিকিৎসার জন্য স্বামী স্ত্রী দুজনকেই এ বিষয়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যেতে হবে এবং চিকিৎসা নিতে হবে।
আমাদের দেশে বাচ্চা না হওয়া সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা আছে। যেমন- অভিশাপের কারণে, জাদুটোনার কারণে বা বাতাস লাগলে বাচ্চা হয় না। তবে কারো বাচ্চা না হলে এ ধরনের মনোভাব পোষণ করা ঠিক নয়।
অন্যান্য
গর্ভধারণ
একটি মেয়ের মাসিক শুরু হয় ১২-১৩ বছর বয়সে এবং মাসিক শুরু হবার পর থেকে প্রতি মাসে একটি করে ডিম্বাণু পরিপক্ক হয়। এই ডিম্বাণু সাধারণত দুই মাসিকের মাঝামাঝি সময়ে ডিমের থলি থেকে ডিম্ববাহী নালীতে আসে। এই সময়ে যদি যৌনমিলন হয়, তাহলে পুরুষের শুক্রাণু যোনিপথ দিয়ে ডিম্ববাহী নালীতে গিয়ে পৌঁছে। সেখানে ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হবার ফলে ভ্রুণ তৈরি হয়। একে গর্ভধারণ বলে। এই ভ্রুণ কয়েক দিন পর জরায়ুতে এসে পৌঁছে এবং সেখানে বড় হয়ে শিশুতে পরিণত হয়।
এ সময় শিশুটি একটি গর্ভ-ফুলের (ফুল) মাধ্যমে মায়ের জরায়ুর সাথে যুক্ত থাকে এবং গর্ভ-ফুলের মধ্য দিয়ে শিশু মায়ের কাছ থেকে পুষ্টি পায়। সাধারণত ৯ মাস ৭ দিন এভাবে মায়ের জরায়ুতে কাটানোর পর মায়ের প্রসব ব্যথা ওঠে এবং শিশু যোনিপথ দিয়ে বের হয়ে আসে। একেই প্রসব বা ডেলিভারি বলে। কখনো কখনো সমস্যা থাকলে পেট কেটে বা অপারেশন করে বাচ্চা বের করা হয়।
সেবা কেন্দ্র অনুসন্ধান
প্রয়োজনীয় লিঙ্ক
হটলাইন
টেলি জিজ্ঞাসা
ফোন: ১৬৩৮৭ (কল চার্জ প্রযোজ্য নয়) ওয়েব: সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানী
অন্যান্য
আমাদের ইউটিউব চ্যানেল
ওয়েব লিঙ্ক: চ্যানেল
