পুরুষ প্রজননতন্ত্র

পুরুষ দেহের যে সকল অঙ্গ প্রজনন প্রক্রিয়ার অংশগ্রহন করে তাদেরকে একত্রে পুরুষ প্রজননতন্ত্র বলে ।

পুরুষ প্রজননতন্ত্রের গঠন

পুরুষ প্রজননতস্ত্রের বাহিরের অংশ

অন্ডথলি (scrotum)

দুই উরুর মাঝখানে ঝুলে থাকা পাতলা ঢিলে চামড়ার থলি । এটি শুক্রাণু উৎপাদনের জন্য অন্ডকোষে অনুকূলে তাপমাত্রা বজায় রাখে এবং অন্ডকোষ আঘাত থেকে রক্ষা করে ।

পুরুষাঙ্গ (penis)

এটি প্রধানত স্পঞ্জ জাতীয় টিস্যু দ্বারা গঠিত । এতে কোন হাড় নেই, এবং অনেক শিরা ও ধমনী থাকে । উত্তেজিত হলে এর টিস্যুতে অনেক রক্ত জমে; ফলে এটি শক্ত এবং । স্বাভাবিক অবস্থায় এটি ৩ থেকে ৪ ইঞ্চি লম্বা হয় ।

পুরুষাঙ্গের তিনটি অংশ:

ক. পেছনের অংশ বা বালব (bulb)
খ. মাঝের অংশ বা বডি (body)
গ. সামনের অংশ বা গ্লানস পেনিস (glans penis)

পুরুষ প্রজননতন্ত্রের ভিতেরের অংশ

অন্ডকোষ (testes)

অন্ডথলির ভেতর দুটি ডিম্বাকার অন্ডকোষ পাশাপাশি অবস্থান করে । এরা শুক্রাণু উৎপন্ন করে এবং টেস্টোস্টেরন হরমোন তৈরী ও নি:সরণ করে ।

শুক্রবাহী নালী (vas deferens): এই নালীগুলি অন্ডকোষ থেকে শুতক্রণু পরিবহন

বীর্য (seminal):এখানে বীয জমা থাকে । এটি বীয তৈরীর জন্য প্রচুর পরিমান ঘন পিচ্ছিল পদার্থ নি:সরণ করে এবং এর মধ্যে ফ্রুকটোজ থাকে,যা সচল শুক্রাণুকে যেশক্তি প্রদান করে ।

বীর্যথলি (seminal vesicle):এই নালী মূত্রনালীর সহিত যুক্ত থাকে এবং বীযনস বহন করে ।

প্রস্টেট গ্রস্থি (prostate gland):এটি মূত্রথলির নিচে থাকে এবং এর ভিতর দিয়ে বীযনালী চলে যায় । এ গ্রস্থি থেকেও বীযরস নি: সরণ হয় ।

বীর্য (semen): যৌন মিলনের সময় পুরুষাঙ্গ হতে যে তরল পদাথ নিঃসৃত হয়, তাকে বীয বলে । এটি বীযথুলি, প্রস্টেট গ্লান্ড, বাল্বো-ও অন্ডকোষ নিঃসৃত পদাথের মিশ্রণে তৈরী হয় । বীযের ৯০-৯৫% তরল পদাথ ও বাকি ৫-৭% শুক্রাণু । প্রতিবার যৌনমিলনে প্রায় ৩-৫ মি.লি.বীয স্খলিত হয় । এতে ২০-৩০ কোটি শুক্রাণু থাকে ।

প্রজননক্ষম পুরুষের প্রতি মি.লি.বীযে কমপক্ষে ২০ মিলিয়ন শুক্রাণু থাতে (২০-২৫০মিলিয়ন) । প্রজননক্ষম বীযের কমপক্ষে ৫০% শুক্রাণু স্বাভাবিক গঠনের হতে এবং ৫০% শুক্রাণু সক্রিয়ভাবে নড়াচড়া করতে হবে ।

শুক্রাণু (sprm)

একটি পূণাঙ্গ সুস্থ স্বাভাবিক শুক্রাণুর তিনটি অংশ থাকে,যেমন: মাথা,মাঝের অংশ এবং লেজ । অন্ডকোষের নালী থেকে শুক্রাণু এপিডিডাইমিস নামক জায়গায় আসে । মাথা