স্বপ্নদোষ

সাধারণত ১০-১২ বছর বয়সে একটি ছেলের শারীরিক পরিবর্তন শুরু হয় । যেমন-উচ্চতা বাড়তে থাকে, কাঁধ চওড়া হয় এবং মাংসপেশি সুঠাম ও সবল হতে থাকে । ছেলেরা যে বড় হচ্ছে তার লক্ষণ হলো দাড়ি-গোঁফ গজানো । এ সময় গলার স্বরেরও পরিবর্তন হয়

বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের শরীরের এসব পরিবর্তন হরমোনের কারণে হয়ে থাকে । হরমোন হচ্ছে শরীরের ভেতরে তৈরি এক ধরনের গ্রন্থিরস যা দেহকে সক্রিয় রাখে এবং দেহের বৃদ্ধি ও উন্নয়নে সহায়তা করে। শরীরের গঠন কেমন হবে এ ব্যাপারটা অনেকটাই বংশগত । তবে এখানে সঠিক পুষ্টিরও বেশ প্রভাব রয়েছে ।

এ বয়সে ছেলেদের মূত্রনালী দিয়ে শুক্রাণুযুক্ত রস মাঝে মধ্যে বের হয়ে আসে, কখনো কখনো ঘুমন্ত অবস্থায়ও এ রস বের হতে পারে যাকে ‘স্বপ্নদোষ’ বলা হয় । এই শুক্রাণুই সন্তান জন্মদানের বীজ । স্বপ্নদোষ আসলে দোষের কিছু নয় বরং এটি একজন কিশোরের প্রজননতন্ত্রের স্বাভাবিক বিকাশের পরিচায়ক। এটা ছেলেদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও প্রজনন ক্ষমতা বা সন্তান জন্ম দেয়ার ক্ষমতা অর্জনের লক্ষণ ।

কিশোরের স্বপ্নদোষ হলে অবশ্যই সেই কাপড় ধুয়ে ফেলতে হবে। অপরিষ্কার প্যান্ট, লুঙ্গি বা কাপড় পরার কারণে নানা ধরণের চুলকানি ও সংক্রমণ হতে পারে।