ভিডিও

স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা এবং পুষ্টি; প্রথম অংশ

স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা এবং পুষ্টি; দ্বিতীয় অংশ

স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা এবং পুষ্টি; তৃতীয় অংশ

স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা এবং পুষ্টি; চতুর্থ অংশ

প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন ও উত্তর

আজকের প্রশ্ন ও উত্তর

বয়: সন্ধি

অনেক কারণে তোমাদের দুর্বল লাগতে পারে। এর মধ্যে রক্তস্বল্পতা, অপুষ্টি ও বিভিন্ন রোগ অন্যতম। পরিমিত পরিমাণে ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, বিশ্রাম নেয়া ও ব্যায়াম করার পরেও অসুস্থ বা দুর্বল লাগলে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। কৈশোরে শরীরের যথাযথ বৃদ্ধি ও সুস্থ খাবারের জন্য পরিমিত পরিমাণে পুষ্টিকর ও সুষম খাবার খাওয়া প্রয়োজন। পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ ও শরীরে রোগ প্রতিরোধক শক্তি সঞ্চয় করে। পুষ্টি হচ্ছে একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে খাদ্য গ্রহণ করা থেকে শুরু করে খাদ্য পরিপাক ও শোষিত হয় অর্থাৎ পুষ্টি বলতে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের ফলাফলকে বোঝায়।

অন্যান্য

যৌতুক

কোনো কোনো সময় দেখা যায় যে, বিয়ের সময় বা পরে ছেলেপক্ষ মেয়েপক্ষের কাছ থেকে টাকা পয়সা বা ‘উপহার’ চেয়ে নেয় বা দাবি করে, একে যৌতুক বলে। তবে যৌতুক ধর্মীয় কোনো নিয়ম বা শর্ত নয়। যৌতুক দেয়া-নেয়া আমাদের সমাজে সামাজিক ব্যাধি হিসাবে প্রচলন আছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ছেলেপক্ষ যৌতুক দাবি করে। কিন্তু যৌতুক আমাদের দেশে আইনত দণ্ডনীয়। যৌতুক দেয়া এবং নেয়া উভয়ই অপরাধ এবং এর জন্য জেল-জরিমানার ব্যবস্থা আছে। আমাদের দেশে অনেক মেয়ে যৌতুকের শিকার হয়ে নির্যাতিত হচ্ছে এবং মৃত্যুবরণ করছে। এই যৌতুকপ্রথা বন্ধ করার জন্য সরকারি আইন রয়েছে। আইন অনুযায়ী যিনি যৌতুক দেন এবং নেন তাদের দু’জনেরই ১ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে অথবা ৫ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে। আবার জেল ও জরিমানা দুটোই হতে পারে। যৌতুক বন্ধ করার জন্য সরকারি আইন থাকলেও শুধুমাত্র আইন দিয়ে যৌতুক প্রথা বন্ধ করা যাবে না। যৌতুক প্রথা বন্ধ করতে হলে পাত্র-পাত্রী ও পিতামাতাসহ সবাইকে সচেতন হতে হবে। তোমরা মেয়েরা যৌতুক দিয়ে বিয়ে করবে না এবং ছেলেরা যৌতুক নিয়ে বিয়ে করবে না- এই মানসিকতা ও প্রতিজ্ঞা এখন থেকেই তোমাদের নিতে হবে। আমাদের দেশে কেউ কেউ যৌতুককে সামাজিক মর্যাদার মাপকাঠি হিসেবে মনে করে। বিয়েতে যতো বেশি যৌতুক আদায় করা যায় বা দেয়া যায় ততোই যেন সম্মান বেড়ে যায়। কখনো ছেলে নিজে, তার বাবা-মা বা অভিভাবকরা যৌতুক দাবি করে। আবার অনেক পরিবারে যৌতুক দেয়া-নেয়ার প্রচলনও দেখা যায়। আমাদের সমাজে অনেকে মেয়েদের অন্যের ওপর নির্ভরশীল মনে করে। কোনো কোনো ছেলেপক্ষ মনে করে একটা মেয়েকে বিয়ে করা মানে তাকে ও তার মা-বাবাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করা। তাই ছেলেপক্ষ মেয়েপক্ষের কাছ থেকে কিছু সুযোগ-সুবিধা পেতে চায়। অনেক সময় পরিবেশ, পরিস্থিতির ওপরও এগুলো নির্ভর করে। অনেক সময় ছেলেপক্ষ আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে, ছেলের পড়াশুনার খরচ চালানোর জন্য বা ছেলে বেকার হলে ব্যবসা করার জন্য যৌতুক চায়। তবে যেকোনো অবস্থাতেই যৌতুক নেয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
আরও...