ভিডিও

স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা এবং পুষ্টি; প্রথম অংশ

স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা এবং পুষ্টি; দ্বিতীয় অংশ

স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা এবং পুষ্টি; তৃতীয় অংশ

স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা এবং পুষ্টি; চতুর্থ অংশ

প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন ও উত্তর

আজকের প্রশ্ন ও উত্তর

বন্ধ্যাত্ব

অনেক সময় দেখা যায়, বিয়ের পর অনেকের বাচ্চা হয় না। অথচ তারা কোনো পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহার করছে না এবং বাচ্চা নিতে চাইছে। কোনো সমস্যা না থাকলেও কখনো কখনো বাচ্চা হতে দেরি হতে পারে। স্বামী বা স্ত্রী দুজনের কারও কোনো শারীরিক সমস্যার কারণে যদি বাচ্চা না হয়, তবে তাকে বন্ধ্যাত্ব বলে। বন্ধ্যাত্বের সম্ভাব্য কারণ  স্বামী বা স্ত্রীর যেকোনো একজনের প্রজননতন্ত্রের কোনো সমস্যা  যৌনরোগ সময়মতো এবং সঠিক নিয়মে চিকিৎসা না করা  এ ছাড়া মদ, গাঁজা খেলে বা মাদকাসক্ত হলেও যৌনক্ষমতা কমে যায়। এই কারণগুলোর মধ্যে অনেকগুলো প্রতিরোধ করা যায় ও চিকিৎসা করে সন্তান লাভ করা যায়। তবে চিকিৎসার জন্য স্বামী স্ত্রী দুজনকেই এ বিষয়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যেতে হবে এবং চিকিৎসা নিতে হবে। আমাদের দেশে বাচ্চা না হওয়া সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা আছে। যেমন- অভিশাপের কারণে, জাদুটোনার কারণে বা বাতাস লাগলে বাচ্চা হয় না। তবে কারো বাচ্চা না হলে এ ধরনের মনোভাব পোষণ করা ঠিক নয়।

অন্যান্য

গর্ভকালীন সেবা/যত্ন

একটি সুস্থ বাচ্চা জন্ম দেয়ার জন্য গর্ভবতী মহিলার অনেক ধরনের সেবা প্রয়োজন। গর্ভবতী হওয়ার ৩ মাসের মধ্যে ডাক্তার বা স্বাস্থ্যকর্মীর কাছে যেতে হবে। এ সময়ে প্রায় প্রতি মাসেই ডাক্তারের বা স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ নিতে হয়। ৫ থেকে ৮ মাসের মধ্যে ২টি টিটি টিকা নিতে হয়। এ সময় বেশি পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার ও প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে হবে। গর্ভকালীন সময় ভারি কোনো কাজ করা যাবে না। এ সময় হাসিখুশি থাকতে হবে এবং দিনে ১ থেকে ২ ঘন্টা বিশ্রাম ও রাতে অন্তত ৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে। যেকোনো স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বা ক্লিনিকে ডেলিভারি করানো নিরাপদ। যদি তা সম্ভব না হয় তবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ধাত্রী দ্বারা ডেলিভারি করাতে হবে। তবে গর্ভকালীন সময়ে কোনো ধরনের জটিলতা দেখা দিলে অতি দ্রুত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়া ছাড়াও কিছু কিছু যত্ন ও সেবা আছে যা মা এবং তার পরিবারের সবাই মিলে নিশ্চিত করবেন
আরও...